সৌদি আরবে কর্মরত সুজন মিয়া (৩২) নামে ময়মনসিংহের ভালুকার এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বাড়ি উপজেলার ভরাডোবা ক্লাবের বাজার এলাকায়। প্রিয়জনের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বর্তমানে তাঁর মরদেহ সৌদি আরবেই রয়েছে। দ্রুত মরদেহ দেশে এনে শেষবারের মতো মুখ দেখার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন নিহতের স্বজনরা।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে প্রায় ১৮ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান সুজন মিয়া। সেখানে কর্মরত অবস্থায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছালে পরিবারে কান্নার রোল পড়ে যায়।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, মরদেহ দেশে আনতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা নিয়ে তাঁরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তাঁরা।
পরিবারের দাবি, সরকারের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে দ্রুত মরদেহ দেশে এনে ধর্মীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
এদিকে, বিদেশে মারা যাওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের মরদেহ দেশে আনতে দূতাবাস, এয়ারলাইন্স ও সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে কাজ করতে হয়। এ প্রক্রিয়ায় মৃত্যু সনদ, দূতাবাসের অনুমতিসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়, যা অনেক সময় পরিবারের জন্য জটিল হয়ে দাঁড়ায়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
