ভালুকার মামা-ভাগ্নে এক্স নোয়া গাড়ি নিয়ে বিরোধ, আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার,ময়মনসিংহ
প্রকাশিত : ৯ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:৫৬ পিএম
0 শেয়ার
ভালুকার মামা-ভাগ্নে এক্স নোয়া গাড়ি নিয়ে বিরোধ, আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে মামলা

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় মামা-ভাগ্নের মধ্যে এক্স নোয়া গাড়ি মালিকানা নিয়ে তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি এতদূর গড়িয়েছে যে, ইতিমধ্যেই মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া মাস্টারবাড়ি এলাকার মো. কাদের আলীর ছেলে মোহাম্মদ মোফাজ্জল হোসেন ২০২৪ সালের ১২ জুন তার মামা শাহাবুদ্দিনকে অভিভাবক হিসেবে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার কুড়িল বিশ্বরোডের “সিলেক্ট অটো” শোরুম থেকে একটি টয়োটা এক্স নোয়া গাড়ি ক্রয় করেন। গাড়ির মোট মূল্য ছিল ২০ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা পরিশোধ করা হয়েছিল পর্যায়ক্রমে।

বিরোধের সূত্রপাত ঘটে প্রথম মানি রিসিটে ভুলবশত মামা শাহাবুদ্দিনের নাম লেখা হওয়ার কারণে। শাহাবুদ্দিন ওই রিসিটকে ভিত্তি করে গাড়িটির মালিকানা দাবি করতে শুরু করেন। অভিযোগ আছে, তিনি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করছেন এবং ভাগ্নে মোফাজ্জল হোসেনকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) মাস্টারবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে মোফাজ্জল হোসেন বলেন, “গাড়িটি আমি নিজের টাকায় ক্রয় করেছি। ব্যাংক লোনসহ সব কাগজপত্র আমার পিতা কাদের আলীর নামে করা হয়েছে। কিন্তু এক রিসিটে মামার নাম থাকায় তিনি এখন গাড়ির মালিকানা দাবি করছেন এবং আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে আমি ইতিমধ্যে আইনের আশ্রয় নিয়েছি।”

অন্যদিকে, অভিযুক্ত মামা শাহাবুদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, “গাড়িটি আমি কিনেছি এবং সব কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে।” তবে কাগজপত্র দেখানোর অনুরোধে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।

এ ঘটনায় শোরুম কর্তৃপক্ষও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। “সিলেক্ট অটো”-এর ম্যানেজার মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, “শাহাবুদ্দিন বিভিন্ন জায়গায় আমাদের নামে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছেন, যা আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করছে। এজন্য আমরা তার বিরুদ্ধে এক কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছি।”